বৃহস্পতিবার , ৮ই ডিসেম্বর, ২০২২ ইং , বাংলা: ২৪শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ , হিজরি: ১৩ই জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরী

অনিয়মে বন্দি ভাণ্ডারিয়ার উপকারাগার  সঠিক খবর জানেনা কেউ!

অনিয়মে বন্দি ভাণ্ডারিয়ার উপকারাগার  সঠিক খবর জানেনা কেউ!

মোঃ সামসুল ইসলাম আমিরুল, ভাণ্ডারিয়া || অনিয়মের কারাগারে বন্ধি হয়ে প্রায় আড়াই যুগ যাবত ধুকে ধুকে নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে ভাণ্ডারিয়া উপজেলর উপকারাগারটি।
১৯৯০ সালে গণপূর্ত মন্ত্রনালয় ৬৯ লক্ষ টাকা ব্যায়ে পিরোজপুর জেলা সমাজ সেবা কার্যালয়ের আওতাধীন ভাণ্ডারিয়া উপজেলায় কলেজ মোড় নামক স্থান সংলগ্ন ১.৫৫ একর সম্পত্তির উপরে এ উপকারাগারটি নির্মান করে। নির্মানের প্রায় দির্ঘ ১৫ বছর অব্যাহৃত অবস্থায় আন্ত-মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ২০০৫ সালের ১৭ অক্টোবর এ উপ কারাগারটিকে শিশু কিশোর অপরাধ সংশোধন কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের জন্য সমাজকল্যান মন্ত্রণালয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এই শিশু কিশোর অপরাধ সংশোধন কেন্দ্রটি সংস্কারের জন্য ৫ লক্ষ টাকা বরাদ্ধ দেয় বলে সংশ্লিষ্ঠ সূত্র জানায়। এর পরে সমাজ সেবা অধিদপ্তর কেন্দ্রটি সংস্কারের জন্য ৮০ লক্ষ টাকা বরাদ্ধ চেয়ে সংশ্লিষ্ঠ দপ্তরকে চাহিদা পাঠায়। সেই চাহিদা মোতাবেক বরাদ্ধ হয়েছে কিনা এ ব্যপারে উপজেলা সমাজসেবা অফিস কোন তথ্য দিতে পারেনি।
পরবর্তীতে ২০১৩ সালের ডিসেম্বর মাসে এ উপকারাগারটি শেখ রাসেল ট্রেনিং এণ্ড রিহেবিলিটেশন ফর দ্যা ডেস্টিটিউটর চিলড্রেন (২য় পর্ব) শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় প্রকল্প প্রস্তাব প্রণয়ন করেন পরিচালক ( প্রশাসন ও অর্থ)। এর পরে এ উপ কারাগারটির কোন দেখবালের খবর পাওয়া যায়নি।
বর্তমানে উপকারাগারটির অধিকাংশ মূল্যবান সম্পদ খোয়া গেছে, এলাকাটি দখলে নিয়েছে মাদক সেবীরা।
এ ব্যপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভাণ্ডারিয়া পৌর প্রশাসক সীমা রাণী ধর এর কাছে জানতে চাইলে তিনি কোন তথ্য দিতে পারেননি।
একই প্রসঙ্গে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ভবানী শংকর বল বলেন, ২০১৩ সালের দিকে ভাণ্ডারিয়া উপজেলার উপকারাগারটি শেখ রাসেল ট্রেনিং এণ্ড রিহেবিলিটেশন ফর দ্যা ডেস্টিটিউটর চিলড্রেন (২য় পর্ব) শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় প্রকল্প প্রস্তাব প্রণয়ন করেন পরিচালক ( প্রশাসন ও অর্থ) এ সংক্রান্ত একটি চিঠি আমাদের দপ্তরে পাওয়া যায় , এর বাহিরে আমাদের কাছে অন্য কোন তথ্য নেই।

এমন আরো খবর:

error: লেখা সংরক্ষিত!