রবিবার , ১৩ই জুন, ২০২১ ইং , বাংলা: ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , হিজরি: ১লা জিলক্বদ, ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

দুদকের পৃথক দুটি মামলায় পিরোজপুর পৌর মেয়র ও তার স্ত্রীসহ ২৮ জন

দুদকের পৃথক দুটি মামলায় পিরোজপুর পৌর মেয়র ও তার স্ত্রীসহ ২৮ জন

অনলাইন ডেস্ক || বিভিন্ন পদে অবৈধ নিয়োগ এবং একইসঙ্গে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে চারবারের নির্বাচিত মেয়র হাবিবুর রহমান মালেক ও তার স্ত্রীসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের বরিশাল সমন্বিত কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় দুদকের উপ-পরিচালক আলী আকবর বাদী হয়ে এ মামলা দুটি করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, দুদকের অনুসন্ধানে পিরোজপুর পৌরসভার মেয়র হাবিবুর রহমান মালেক ও তার স্ত্রী নিলা রহমানের জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদের খোঁজ মিলেছে ৩৬ কোটি ৩৪ লাখ ৭ হাজার ৯৩২ টাকা। আয় বহির্ভূত এ সম্পদের বিবরণ পেয়ে মামলা করে দুদক। অপর দিকে, জাল জালিয়াতি, ঘুষ বাণিজ্য ও প্রতারণার মাধ্যমে পিরোজপুর পৌরসভায় ২৩ জন কর্মচারী অবৈধ নিয়োগের প্রমাণ পায় দুদক।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপ-পরিচালক আলী আকবর জানান, এর আগে গত ২৭ ডিসেম্বর কমিশন পৌর মেয়র হাবিবুর রহমান মালেকের সম্পদের বিবরণী চেয়ে তাকে, স্ত্রী নিলা রহমান, কন্যা নওরীন আক্তার ও পুত্র ফয়সাল রহমানের নাম উল্লেখ করে একটি নোটিশ প্রদান করেন। এ ছাড়া একই সঙ্গে পৌরসভার ২৫ জন কর্মচারী নিয়োগে প্রতিজনের কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা করে ঘুষ গ্রহণ, বাস ও মিনিবাস থেকে অবৈধ চাঁদা আদায়, এলাকায় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ঠিকাদারী করার অভিযোগ করে এ নোটিশ প্রদান করা হয়। ওই নোটিশের যথাযথ উত্তর না পাওয়ায় পরে কমিশন তাকে (উপ-পরিচালক আলী আকবর) এ বিষয়ে অনুসন্ধানের জন্য দায়িত্ব দেন। দীর্ঘ অনুসন্ধান শেষে পৃথক এ দুটি মমালা দায়ের করা হয়।

অভিযোগের বিষয়ে মেয়র হাবিবুর রহমান মালেক সাংবাদিকদের জানান, এটাতো অনেক আগের নিয়োগ হয়েছে। তবে আমার যতটুকু মনে আছে সেখানে ২২ জন নিয়োগ পেয়েছিল। কিন্তু একজন নিয়োগ পান নাই। আর বাকি দুজন যোগদান করেননি। আর পত্রিকায় যথাযথ প্রক্রিয়ায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, পিরোজপুর সদর পৌর সভার মেয়র হাবিবুর রহমান মালেক গত পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসাবে পুনরায় পৌর মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। এ নিয়ে তিনি টানা চতুর্থবারের মতো পিরোজপুর পৌরসভার মেয়র পদে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য এ.কে.এমএ আউয়ালের মেজো ভাই।

তথ্য-  দৈনিক নাগরিক ভাবনা

এমন আরো খবর:

error: লেখা সংরক্ষিত!