সোমবার , ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং , বাংলা: ৬ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , হিজরি: ৩রা সফর, ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

ভাণ্ডারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাতায়াতের পথে অবরোধ সৃষ্টি প্রতিপক্ষের

ভাণ্ডারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাতায়াতের পথে অবরোধ সৃষ্টি প্রতিপক্ষের

নিজস্ব প্রতিনিধি || পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার ধাওয়া ইউনিয়নে ১৬৪ নং দক্ষিণ পূর্ব পশারিবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের যাতায়াতের পথে বেড়া দিয়ে ও নালা কেটে অবরোধ সৃষ্টির অভিযোগ ওঠেছে ধাওয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা প্রতিপক্ষ আব্দুস সালামগংএর বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে ওই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সীমা রানী গোলদার ভাণ্ডারিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি বিষয়টি লিখিত ভাবে উপজেলা নির্বাহী অফিসাকে অবহিত করেছেন। শিক্ষা অফিসার মোঃ নাছির উদ্দিন খলিফা বিদ্যালয়ের সাইনবোর্ড ভেঙে ফেলা এবং আলমিরা ভেঙে বিদ্যালয়ের গুরুত্বপুর্ণ কাগজপত্র নিয়ে যাওয়ার বিষয়টিও নির্বাহী অফিসারকে জানান। বিষয়টি লিখিত ভাবে ভাণ্ডারিয়া থানা পুলিশকেও অবহিত করেছেন।
জানাগেছে, ওই বিদ্যালয়টির জমি দান করে আব্দুস সালাম। তখন বিদ্যালয়টি বেসরকারি ছিল। এটি যে সরকারি হবে এটি তার ধারনা ছিলনা। ২০১৩সালের ১লা জানুয়ারি দেশের রেজিঃ এবং বেসরকারি স্কুল জাতীয় করনের ঘোষণা হয়। কয়েক ধাপে তারই জাতীয়করণ প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতায় পর্যায়ক্রমে ২০১৪ সালে এ বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ হয়। তার পর পর ই বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নানা ভাবে হয়রানি করে কয়েক দফায় ছয় লাখ টাকাও শিক্ষকরা দিয়েছেন। জাতীয় করণ হলেও শিক্ষরা জাতীয়করণ হওয়ার পর থেকে পিছনের বেতন ভাতা সহ সকল বিল পান ২০১৯সালের প্রথম দিকে। এর পর থেকে প্রতিপক্ষদের দাবি শিক্ষকদের ওই সকল বিল তাদের দিয়ে দিতে হবে তা না হলে তারা কেইস করে জমি ফেরৎ নেয়া সহ নানা ধরনের হুমকি প্রদান করে আসছে। এক পর্যায়ে অত্তিষ্ঠ হয়ে বিদ্যালয় কতৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট দপ্তর সহ উপজেলা নির্বাহী অফিসার,থানা পুলিশে প্রতিকার চেয়ে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন।
এ ব্যাপারে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নাজমুল আলম অভিযোগপত্রের বিষয়টি নিশ্চিত করে ওই প্রধান শিক্ষককে একটি মামলা করার পরামর্শ প্রদান সহ থানা পুলিশকে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য বলেছেন বলে জানান।
ভাণ্ডারিয়া থানার অফিসার্স ইনচার্জ এস এম মাকসুদুর রহমান জানান, এ ব্যাপারে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কতৃপক্ষ সহ প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে তাদের কাছে (থানা পুলিশের ) নির্দেশনা আসলে তারা আইনগত ব্যাবস্থা নেবেন বলেও জানান ওসি।

এমন আরো খবর:

error: লেখা সংরক্ষিত!