রবিবার , ৯ই আগস্ট, ২০২০ ইং , বাংলা: ২৫শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , হিজরি: ১৭ই জিলহজ্জ, ১৪৪১ হিজরী

করোনা নিয়ে চিকিৎসকের বার্তা ডা. জি এম মোর্শেদ

করোনা নিয়ে চিকিৎসকের বার্তা ডা. জি এম মোর্শেদ

করোনা নিয়ে চিকিৎসকের বার্তা ডা. জি এম মোর্শেদ

বিশেষজ্ঞরা বলেন, ঋতু পরিবর্তনের সময় বাংলাদেশের মতো দেশে জ্বর, সর্দি-কাশি একটি সাধারণ বিষয়। আর করোনাভাইরাসের মূল উপসর্গগুলির মধ্যে যেহেতু জ্বর, শুকনো কাশি আর শ্বাসকষ্ট রয়েছে, তাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন অনেকে। এমন কি করোনা আতঙ্কে চিকিৎসা সংকটেও পড়েছেন সাধারণ সর্দি-কাশি, জ্বরের রোগীরা।
এ ব্যাপারে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. জি এম মোর্শেদ এই সময় আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি জানান, ঋতু পরিবর্তনের কারণে সবারই সাধারণ সর্দি-কাশি, জ্বর হতে পারে। এটা নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।
সাধারণ মানুষের জন্য কিছু পরামর্শ দিয়েছেন এই চিকিৎসক। দৈনিক আমাদের সময় এর পাঠকদের জন্য তা তুলে ধরা হলো-
১. সাধারণ ফ্লু বা সাধারণ সর্দি, কাশি, ঠান্ডার লক্ষনঃ-
* সর্দি * কাশি * জ্বর * মাথাব্যথা * গলাব্যথা —-ব্যাপ্তিকাল : এক সপ্তাহ (এর মধ্যেই উপসর্গ কমে যায়)।
চিকিৎসা বা করণীয় :
* কুসুম গরম পানি দিয়ে গারগল।
* ভিটামিন সি জাতীয় খাবার (লেবু/ কমলা লেবু) খেতে হবে।
* অ্যান্টি হিস্টামিন
* প্যারাসিটামল
* ন্যাজাল ড্রপ ব্যবহার করতে পারেন।

২. নিউমোনিয়ার লক্ষনঃ-
* সর্দি * কাশি * কাঁপুনিসহ জ্বর (তাপমাত্রা >১০২ এর বেশি) * শ্বাসকষ্ট *ঢ-জধু তে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ডান পাশে সাদা দাগ থাকে। *ঈইঈ তে শ্বেত রক্তকণিকা বাড়বে। ঊঝজ বাড়বে।
ব্যাপ্তিকাল এবং উপসর্গগুলো এক সপ্তাহ পরে বেড়ে যায়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকাকালীন বয়সে হয় (শিশু ও বৃদ্ধ)।

চিকিৎসা বা করণীয় :
* অক্সিজেন
* নেবুলাইজেশন
* ফ্লুইড
* প্যারাসিটামল
* অ্যান্টিবায়েটিক

৩. কোভিড-১৯ বা নভেল করোনাভাইরাস লক্ষনঃ-
* সর্দি * কাশি * জ্বর * গলাব্যথা * উপসর্গ শুরুর ৬ থেকে ১০ দিনের মধ্যে প্রচন্ড শ্বাসকষ্ট শুরু হয়।
* ঢ-জধু -তে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ২ পাশে সাদা দাগ থাকে। * ঈইঈ তে লিম্ফোসাইট কমবে।
ব্যাপ্তিকাল এবং উপসর্গগুলো এক সপ্তাহ পরে বেড়ে যায়। শ্বাসকষ্ট একটি অন্যতম লক্ষণ। ইদানীংকালে সব বয়সীরাই আক্রান্ত হচ্ছেন। অ্যাজমা, ডায়াবেটিস, প্রেসার, হৃদরোগ রোগীদের সম্ভাবনা বেশি।
প্রতিরোধ :

* বাড়িতে অবস্থান করা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা।
* বারবার হাত ধোয়া।
* বাহিরের কোনো ব্যক্তি/ বস্তুকে গৃহে প্রবেশ করতে না দেওয়া।

সবশেষে ডা. জি এম মোর্শেদ ইতিবাচক কথা হিসেবে জানান, ৮০% রোগী উপসর্গ দেখা দেয় না। চিকিৎসার প্রয়োাজনও হয় না।

মেইল বক্স

এমন আরো খবর:

error: লেখা সংরক্ষিত!