রবিবার , ৯ই আগস্ট, ২০২০ ইং , বাংলা: ২৫শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , হিজরি: ১৮ই জিলহজ্জ, ১৪৪১ হিজরী

ইন্দুরকানী কর্মহীন অধিকাংশ মানুষের ঘরে পৌছেনি মানবিক সহায়তা

ইন্দুরকানী কর্মহীন অধিকাংশ মানুষের ঘরে পৌছেনি মানবিক সহায়তা

ইন্দুরকানী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি || দক্ষিণাঞ্চলের উপকুলবর্তী উপজেলা পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে কর্মহীন অধিকাংশ মানুষই পাচ্ছে না সরকারের মানবিক সহায়তা। প্রধানমন্ত্রী জন প্রতিনিধিদের কর্মহীন মানুষের পাশে দাড়াতে বললেও তারা তাকিয়ে আছে সরকারী সাহায্যের দিকে । এ উপজেলায় লক্ষাধিক মানুষের বসবাস, করোনার কারণে অধিকাংশ খেটে খাওয়া মানুষের নাই কোন কাজ । তারা ঘরে বসে অলস সময় পার করছে। এ দিকে সরকারের পক্ষ থেকে করোনা থেকে নিরাপদে ঘরে থাকার নির্দেশনা থাকলেও কর্মহীন মানুষ পাচ্ছ্ েনা কোন খাদ্য সহায়তা ফলে সংকট দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ উপজেলায় ২০ হাজার পরিবারের মধ্যে প্রায় ১২ হাজার পরিবার আছে অনেকটা দারিদ্য কর্মহীন। উপজেলার পাড়েরহাট ইউনিয়নের অসহায় বাদশা মোল্লা, শ্রমিক রুস্তুম আলী ও জাহাঙ্গীর হোসেন জানান আমরা কাজে বের হতে পারি না তেমনি পায়নি কোন সরকারী সাহায্য। এভাবে পাড়েরহাট আবাসন প্রকল্প ও সাঈদখালী আবাসনের বাসিন্দারা পায়নি সরকারের মানবিক সহায়তা ।
কিন্তু সরকারী ভাবে এ উপজেলায় ত্রাণ ও দূর্যোগ মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দকৃত মাত্র সাড়ে ৫ মে’ টন খাদ্য শস্য ও ৫৬ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। যার নামের তালিকা করেছে ইউনিয়ন পরিষদ ৬০ শতাংশ এবং সরকারী দল ৪০ শতাংশ ফলে জনপ্রতিনিধিরা কর্মহীন দরিদ্যদের তালিকা করতে ও হিমশিম খাচ্ছে। এমনকি অনেক ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যদের কাছে চাওয়া হয়নি কর্মহীন লোকের তালিকা। এ উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে মাত্র ছয়শত পরিবারকে মানবিক সহায়তা পৌছে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন । উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হোসাইন মুহাম্মদ আল মুজাহিদ দিন রাত চেষ্টা করছেন মানুষকে করোনা প্রতিরোধে সচেতন ও সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে তেমনি যেটুকু সরকারী সাহায্য পেয়েছে দ্রুত মানুষের বাড়িতে পৌছে দিতে। তবে এই দূর্যোগ মহুর্তে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি সহ বিত্তবানদের উপজেলা প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে কর্মহীন দরিদ্র্য মানুষকে সহায়তা করা উচিত। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ শফিকুল ইসলাম জানান, সরকারী সাহায্য ছাড়াও এ উপজেলায় জেলা পরিষদ থেকে এক হাজার আটশত পরিবার ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের পক্ষ থেকে পাঁচশত পরিবারের খাদ্য সহায়তা আমাদের মাঝে পৌচেছে যা অল্পের মধ্যে বিতরণ করা হবে। পত্তাশী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন হাওলাদার জানান, সরকারী সহায়তা যে টুকু পেয়েছি তা বিতরণ করা হয়েছে। ব্যক্ত্গিত ভাবে আমরা এখনও কিছু দেয় নি তবে দেয়ার চেষ্টা চলছে। তবে বেসরকারী কিছু সংস্থা কর্মহীন কিছু পরিবারে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে। ইন্দুরকানী সদর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য এবিএম সেলিম হাওলাদার হিরু জানান, আমি আমার ওয়ার্ডে মাত্র ৮ জন লোককে ১০ কেজি করে চাল দিতে পেরেছি। বরাদ্দ কম হওয়া কর্মহীন অধিকাংশ মানুূষই খাদ্য সহায়তা থেকে বঞ্চিত। তিনি সরকারের মানবিক সহায়তা বৃদ্ধির আহব্বান জানান।

এমন আরো খবর:

error: লেখা সংরক্ষিত!