শনিবার , ২৮শে মার্চ, ২০২০ ইং , বাংলা: ১৪ই চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , হিজরি: ৩রা শাবান, ১৪৪১ হিজরী
শিরোনাম

নাজিরপুরে কৃমি নাশক ঔষধ খেয়ে একই বিদ্যালয়ের ২৪ শিক্ষার্থী অসুস্থ

নাজিরপুরে কৃমি নাশক ঔষধ খেয়ে একই বিদ্যালয়ের ২৪ শিক্ষার্থী অসুস্থ

পিরোজপুর প্রতিনিধি : পিরোজপুরের নাজিরপুরে কৃমিনাশক ঔষধ খেয়ে উপজেলার নাওটানা বিএম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২৪ শিক্ষার্থী গুরুতর অসুস্থ হয়েছে পড়েছে। অসুস্থ ওই শিক্ষার্থীদের আজ সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে নাজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শাহ আলী আশ্রাফ জানান, সোমবার সকাল ১০টার দিকে স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মী মৃনাল হালদার ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কৃমি নাশক ঔষধ খাওয়ান। এর আধা ঘন্টা পরই শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়তে শুরু করে। প্রথমে ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী লক্ষ্মী শিকদার অসুস্থ হয়ে পড়ে। এর কিছু সময় পরে একই শ্রেণীর সুমি শিকদার, সুমাইয়া আক্তার, লিজা আক্তার, ইভা সরকার, ইলা সরকার, সাকুরা কনা, সপ্তম শ্রেণীর মানছুরা আক্তার, লামিয়া আক্তার, স্বর্না বড়াল, রামিয়া আক্তার, নার্গিস আক্তার, দশম শ্রেণীর মীম আক্তার অসুস্থ হয়ে পড়ে। এদের প্রথমে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। পড়ে তাদের অবস্থা গুরুতর হলে ওই সব শিক্ষার্থীদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। এর পরে বিকাল সোয়া ৪টার দিকে একই বিদ্যালয়ের শিবানী হাওলাদার, সাদিয়া আফরিন, অঞ্জলী রানী, ফাল্গুনী আক্তার, শিউলী আক্তার, লাইজু আক্তার, মানসুরা আক্তার, রিমা খানম, তন্নী খানম, সুমাইয়া খানম, তামান্না আক্তার ও আজাহার মল্লিক নামের এক ছাত্রসহ ২৪ অসুস্থ শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা চলছে। হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেছে, অসুস্থ শিক্ষার্থীদের একজন মাত্র ছাত্র বাকী সকলেই ছাত্রী। তাদের সকলের হাতে সেলাইন দেয়া। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী লামিয়া আক্তার জানায়, ওই কৃমি নাশক ঔষধ খাওয়ার ১৫/২০ মিনিট পরই তার প্রথমে বমি বমি অনুভব হয়। পরে প্রচন্ড পেটে ব্যথা ও হাত-পা খিচুনি অনুভব হচ্ছে। ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী সাকুরা খানম জানায়, ঔষধ খাওয়ার কিছু সময় পর প্রচন্ড পেটে ব্যথা ও মাথা ঘুরানো অনুভব হচ্ছে। সে কয়েক বার বমিও করছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচএ) ডা. রতন কুমার ঢালী জানান, আমি নিজেই ওই অসুস্থ শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা দিয়েছি। তাদের বড় কোন সমস্যা অনুভব হচ্ছে না। এটা মাস রিএ্যাকসন (গন প্রতিক্রীয়া) নামে একটি রোগ। এটা একজনের হলে এর দেখা দেখি অন্য কারও এটা হয়ে থাকতে পারে। কৃমি নাশক ঐষধের কোন সমস্যায় এ ঘটনা ঘটেনি। অসুস্থ ওই শিক্ষার্থীদের দেখতে থানা পুলিশের ওসি মো. মনিরুল ইসলাম হাসপাতালে যান ও তাদের খোঁজ খবর নেন।

এমন আরো খবর: