শুক্রবার , ৩০শে অক্টোবর, ২০২০ ইং , বাংলা: ১৫ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , হিজরি: ১২ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪২ হিজরী

ভোর রাতে কেঁপে উঠলো বাংলাদেশ

ভোর রাতে কেঁপে উঠলো বাংলাদেশ

আজ সোমবার (০৪ জানুয়ারি) ভোর ৫টা ৭ মিনিটে কেঁপে উঠলো বাংলাদেশ। কয়েক সেকেণ্ড ধরে এ কম্পণ অব্যাহত থাকে। এতে ঢাকায় একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ (‌ইউএসজিএস) প্রাথমিকভাবে জানিয়েছিল এ কম্পনের মাত্রা ৬.৮। কিন্তু এক ঘণ্টা পর সংস্থাটি জানায়, ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬.৭।

ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ভারতের মণিপুর রাজ্যের ইম্ফলে, আরাকান ব্লাইন্ড ম্লেগাট্রাস্ট চুটিতে। এটি বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা। ভূমিকম্পটি মনিপুরের রাজধানী ইমফলের ২৯ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে তামেংলং জেলার ননি গ্রামে আঘাত হানে। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল ৫৫ কিলোমিটার। ঢাকা থেকে উৎপত্তিস্থলের দূরত্ব ৩৫২ কিলোমিটার। ভূমিকম্পের সময় রিখটার স্কেলে ঢাকায় কম্পনের তীব্রতা ছিল ৪ মাত্রার বেশি। মাটির খুব বেশি গভীরে না হওয়ায় কম্পন বেশি অনুভূত হয়েছে। এ ধরনের ভূমিকম্পকে শ্যালো ফোকাস আর্থকোয়েক বলা হয়।

ভারতের সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িষায়ও ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। মনিপুরে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে শতাধিক। ইম্ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। মিয়ানমার কিংবা ভুটানের ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে এখনো কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

ইম্ফলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মী কানারজিত কাঙ্গুজাম টেলিফোনে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, ‘ইম্ফলে এটি এ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় ভূকম্পন।’

ভূমিকম্পের পর রাজধানীরসহ সারা দেশে আতঙ্কিত মানুষজন ঘর ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসে। রাজধানীর বাসাবোতে ভূমিকম্পে আতঙ্কিত হয়ে বাসা থেকে নামতে গিয়ে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। নিহতের নাম আতিকুর রহমান (২৫)।

এ ছাড়া ভূমিকম্পে আতঙ্কিত হয়ে তাড়াহুড়ো করে নামতে গিয়ে রাজধানীতে কমপক্ষে ৩০ ব্যক্তি আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন। আর বেশ কয়েকজন ঢামেকে ভর্তি হয়েছেন।

এমন আরো খবর:

error: লেখা সংরক্ষিত!